দেখা অদেখার রাইন-কথা

অতিথি লেখক's picture
Submitted by guest_writer on Mon, 07/10/2019 - 11:29pm
Categories:

গৃহকর্ত্রী সুইস নারী হের্টা ফার্নান্দো স্বামী সহ বছরের অর্ধেক সময় মোটর গৃহে করে ইউরোপ চষে বেড়ায়, আর বাকি অর্ধেক সময় কাটায় স্বামীর দেশ শ্রীলঙ্কায়। কি আনন্দ! মোটর হাউজে ইউরোপ-ভ্রমন, আমারোতো স্বপ্ন। মনে হয় স্বপ্ন বলতে আদতে কিছুই নেই, সবই বাস্তব। হয়ত আমি যাপন করছি কারো না কারো কল্পিত জীবন। আবার আমার কল্পনাকে অন্য কেউ সত্যি করেছে।

বাড়িটা রাইন তীরের মিষ্টি উপশহর এগ্লিস্যাও এ। জুরিখ থেকে ট্রেনে আধা ঘন্টার পথ, আবার জলপ্রপাত থেকেও খুব কাছে। খুঁটি গাঢ়ার জন্য চমৎকার জায়গা। আমরা তিন পরিবার। কটা দিন কাটানোর জন্য এয়ারবিএনবিতে একটা তিনতলা টাউন হাউস পেয়ে গেলাম, জুরিখের তুলনায় অনেক কম দামে। দূরে পাহাড়। তার আপাত কোল ঘেষে বয়ে যাচ্ছে রাইন। সুন্দর বাড়ি আর বাড়ির ভাড়া বিবেচনা করে ভাগ্যদেবীকে সাধুবাদ। এই বিশাল পরিসর, সাজসজ্জা, চমৎকার গোছান সবকিছু আর হের্টা ফার্নান্দো’র রেখে যাওয়া খুঁটিনাটি চিরকুটগুলোই বলে দেয় কেন সে সুপারহোস্ট।

সবাই মোটামুটি ক্লান্ত, স্টকহোম থেকে জুরিখ। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামছে। ফ্রেস হয়ে এসে দেখি জলি বৌদি খাবারের ব্যবস্থা শুরু করেছে। স্বাতী ভাবি আপাতত নিখোঁজ। মেজাজ উচাটন হলে নতুন জায়গায় হারায় যাওয়ার ইতিহাস তার আছে।

***

পরদিন। বাচ্চাদের খাইয়ে, গুছিয়ে, নিজেরা পেটে চা পানি দিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। ‘নিউহ্যসেন এ্যম রাইনফল’ এ যাব। বাসা থেকে এগ্লিস্যাও স্টেশন তিন মিনিটের হাঁটাপথ। এস নাইন ধরতে হবে। আগামী কয়েকদিন এই এস নাইন আমাদের প্রিয় ট্রেন। ওটাই আসতে যেতে এগ্লিস্যাও এর কানেকশন।

দুপাড়ের ভুট্টাক্ষেত, আঙ্গুর বাগান, বহুকাল অবধি গড়ে ওঠা মুকুটের মত শহরের মাঝ দিয়ে, রাইন নদীর দীর্ঘ যাত্রা পথ। লেক কনস্ট্যান্স আর রাইন, দু’য়ে মিলে ইউরোপের জলপথ ইতিহাসের রূপরেখায় গুরুত্বপূর্ন অবদান রেখেছে। রোমান সাম্রাজ্যেরও আগের সময় থেকে অন্যতম বানিজ্য পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসা রাইন ইউরোপীয় শিল্পায়নে এক সহায়ক শক্তি। তাই এর তীর ঘেঁষে গড়ে উঠেছে সুরম্য নগর আর স্থাপনা। তবে সেসবের কোনোটাই রাইনের মনোরম সৌন্দর্যকে ছাড়িয়ে যেতে পারেনি। তার প্রত্যক্ষ প্রমান রাইনপ্রপাত।

রাইন, লেক কনস্ট্যান্স এর নিম্ন-হ্রদাঞ্চল থেকে সুইটজারল্যান্ডের উত্তরের শহর শফ্‌হ্যসেন হয়ে ‘নিউহ্যসেন এ্যম রাইনফল’ এসে অঝোরে ঝরছে আর শতাব্দীকাল অবধি মুগ্ধ করছে তার দর্শনার্থীদের। স্বপ্নে সুন্দর কিন্তু ভয়ঙ্কর গতিশীল, জলময় যে একটা অস্তিত্ব দেখি বছরে অন্তত একবার, এটাকি সেই জায়গা! মনে হয় না। সেটাও এমনই জলের সবুজাভ নীল উচ্ছাস। কিন্তু দেখা মাত্রই কান আর চুল শিরশির করা ভয়ের একটা জোরালো অনুভূতি টের পেতাম। এখানে তেমনটা মোটেই মনে হচ্ছেনা।

রাইনপ্রপাতের প্রবহমান গতিশীলতার ওপর অনেক বছর ধরে প্রকৌশলীদের নজর, বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে মন চায়। কিন্তু সুইস সরকার তা হতে দেয়নি। ইউরোপে উঁচু, নির্ঝর আরো প্রপাত থাকলেও এটাই বৃহত্তম হিসেবে নজর কেড়েছে শুধু জলের বিপুল শক্তির কারনে। বিশেষত গ্রীষ্মকালে, যখন আল্পসে বরফ গলে যেতে থাকে তখন তেইশ মিটার উঁচু আর একশ পঞ্চাশ মিটার প্রশস্ত এই প্রপাত থেকে প্রতি সেকেন্ডে ছয়শ হাজার লিটার জলের বহমানতার জন্যই মূলত এটা ইউরোপের বৃহত্তম জলপ্রপাতের খ্যাতি পেয়েছে।

ধারণা করা হয় শেষ বরফ যুগে; প্রায় চোদ্দ থেকে সতের হাজার বছর আগে রাইনপ্রপাতের জন্ম। নদীর মাঝখানে একটা স্তম্ভের মতো আকৃতি থাকায় জলপ্রপাতের ধারা দুটি ভাগে ভাগ হয়ে পড়ছে। প্রপাতের খুব কাছে যাওয়ার জন্য নৌকা আছে, এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চলে ওগুলো। তীর থেকে লোক তুলে জলপ্রপাতের খুব কাছে নিয়ে গিয়ে আবার তীরে ফিরিয়ে আনে। দুপুরের খাওয়া সেরে নিয়ে আমাদের দলের সদস্যরা সবাই এই প্রাথমিক ধাপের রোমাঞ্চটাই নেবে ঠিক করল। পালাক্রমে গেল সবাই। ফিরে আসার পর বুঝতে পারলাম তাদের এন্ডরফিন লেভেলের রমরমা অবস্থা। যাইহোক, কেউ আরো অগ্রবর্তী ধাপের রোমাঞ্চ চাইলে প্রপাতের মাঝখানে ঐ স্তম্ভের পায়ের কাছের পাথরের ওপর নৌকা থেকে নেমে যেতে পারে। তারপর স্তম্ভের খাড়া সিঁড়ি ভেঙ্গে একদম ওপরে উঠে উঁচু থেকে দুচোখ মেলে দেখে নিতে পারে আছড়ে পরা জলের হিল্লোল।

নিউহ্যসেন এ্যম রাইনফল এ সারাদিন কাটিয়ে শফ্‌হ্যসেনে আসলাম আমরা। রাইনফল থেকে ট্রেনে মাত্র চার মিনিট। শফ্‌হ্যসেনের মূনট দূর্গ দেখার বড় ইচ্ছে, দূর্গের কারনে না, হরিনের কারনে। আঙ্গুরক্ষেত পরিবেষ্টিত এই দুর্গে নাকি বংশ পরম্পরায় কিছু পতিত হরিন থাকে। তাদেরকে সম্মান দিয়ে সবসময়ই শহরের চলতি মেয়রের নামে নামকরন করা হয়। সম্মানিত এই হরিনপাল দেখার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু এসে দেখি, মানে গুগলে দেখাচ্ছে, কি কারনে যেন নির্ধারিত সময়ের আগেই বন্ধ করে দিয়েছে দূর্গ। কি আর করা। খাড়া রাস্তা বেয়ে ওপরে গিয়ে আর সরেজমিনে দেখতে গেলামনা কেউ। সামান্য উদ্দেশ্যহীণ ঘোরাঘুরি করলাম। চা পানি খেলাম। শফ্‌হ্যসেন মধ্যযুগীয় শহর। সুরম্য দালান, রেস্তোরাঁ আর মধ্যযুগীয় ভাষ্কর্য মণ্ডিত খাবার পানির ঝরনাই চোখে পড়ল বেশী।

ফিরতি পথ ধরতে হবে। পড়ন্ত বিকেল।

এগ্লিস্যাও এ ফিরে ঘরে না ঢুকে, জিনিসপত্তর দরজায় রেখে হাঁটা ধরলাম কাছের নদীতীরের দিকে।


সেই গান-কবিতার রাইন নদী। কত দিক-দিগন্ত ঘেঁষে বয়ে বেড়াচ্ছে নিরন্তর। জলের লালিত্য বুকে পুষে সাপের মত অনায়াসে এঁকেবেঁকে চলছে আল্পস থেকে উত্তর সাগর। বসন্তের কচিপাতার ঘ্রান আর মনভোলানো রমণীয়তা ছাড়িয়ে গ্রীষ্মে রাইনের সাথে প্রকৃতি আর বাতাসের এক মধুর অনুরাগ। যেন উষ্ণ, গভীর, চোখে চোখে বোঝার মত পরিণত সত্য এক সংস্রব। আসলেই, সত্য কোনো বলাবলির বিষয় না। উপলব্ধির বিষয়। আপাতত কয়েকদিন এই উপলব্ধির রহস্যময় আবেশে আসক্ত থাকব। ঘন্টা খানেক পাড়ে বসে সেদিনের মত বাসায় ফিরে এলাম। মন পড়ে থাকল রাইনের জলে।

***

দুদিন পর...
আজ মধ্য সুইটজারল্যান্ড গ্লাসিয়ার যাত্রা ...
গ্লাসিয়ার এক্সপ্রেস ধরব। সুইস পাস থাকলেও আগে থেকে গ্লাসিয়ার এক্সপ্রেসের সীট বুক করতে হয়। সেইন্ট মরিট্‌জ থেকে যারমাত গামী ট্রেনটাতে আমরা বুকিং দিয়েছিলাম। খুব সকাল। বেরিয়ে পড়লাম। এগ্লিস্যাও থেকে প্রথমে জুরিখ। জুরিখে গিয়ে কুর গামী ট্রেন ধরতে হবে। কুর থেকে ধরতে হবে গ্লাসিয়ার এক্সপ্রেস। একটু একটু করে দেরী হলে দেরীর অঙ্কটা বড় হয়। তাই আমরা সবখানেই মোটামুটি ঝটপট ঝটপট করলাম।
কুরে পৌছে দেখি সাড়ে ন’টার মত বাজে। গ্লাসিয়ার এক্সপ্রেস আসবে এগারটা তেইশে। ঝকঝকে রোদ। হাতে কিছুটা সময় আছে। স্টেশনের আশপাশটা একটু চোখের দেখা দেখা যেতে পারে।

কুর জায়গাটাতে নাকি মানুষ প্রথম বসতি গাড়তে শুরু করে আজ থেকে প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে। ভাবা যায়! এখনকার কুর একটা আধুনিক, প্রাণবন্ত শহর। পথগুলো ঢালু। আগাবোনা আগাবোনা করেও পুরো দল হাঁটছি।

হাতছানি দেয়া ঘোরপ্যাঁচ খাওয়া রাস্তা, অলি গলি, আর চত্বর; আমরা মন্ত্রমুগ্ধের মত এগোচ্ছি। ঘণ্টা দেড়েক ঘোরাঘুরি শেষে আবার স্টেশনের পথে।

খানিকক্ষণ পর ট্রেন এসে পড়ল।

কুর থেকে রুইন্যল্টা হয়ে রাইন নদীর গতিপথ ধরে আমাদের ট্রেন ধীরে ধীরে উপরে উঠে যাচ্ছে।

প্রায় দশ হাজার বছর আগের এক প্রাগৈতিহাসিক পাথরধ্বস রাইনের গতিপথকে খানিকটা থামিয়ে দিতে চেয়েছিল হয়তো; রাইনতো থামলোইনা, সৃষ্টি হলো আরেকমাত্রার সৌন্দর্য~ বিশাল এক গিরিখাত। আর পাথরের ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে রাইন পথ করে নিয়ে চলে গেল বহু দূর। সেই জায়গাটাই 'রুইন্যল্টা'; পোশাকি নাম ‘রাইন গর্‌জ্‌’ বা রাইনের ঘাট। সেখানে নাকি আছে এক যাদুর প্রকৃতি। ট্রেন থেকে নেমে সে সৌন্দর্য অবলোকন করার সুযোগ নেই। পথের কিনারার ঝোপাল গাছের সারি আর চলন্ত ট্রেনের জানালা গলে এ দুচোখ দেখল মহাকালের ধ্রুপদী এক শোভা। গরিবী ক্যামেরায় ছবি তুলতে বিরক্ত লাগছে, তার ওপর জানালার কাঁচ অ্যান্টি- রিফ্লেকটিভ না, মেজাজ খারাপ হতে লাগল।

গিরিখাতের আশপাশটা পাহাড়ি বন আর রহস্যময় সব হ্রদে ভরা। গাড়ির রাস্তা তৈরী করা হয়নি। অতি-অভিযাত্রীদের জন্য আছে সাইকেলের ট্রেইল। নৌকায়ও নাকি আসা যায়। মানুষের এই সীমিত পদচারনাকে লুফে নিয়েছে বিপন্ন পাখিরা। রাইনের ঘাট বিপন্ন পাখীদের ব্রিডীং গ্রাউন্ড।

রুইন্যল্টা’র পরে আসলো ডিসেনটিস। ডিসেনটিস থেকে পথ এখন অতিরিক্ত খাড়া হয়ে উঠে যাচ্ছে, চলে যাবে একেবারে চূড়ায়; ওবারাল্পপাস।

এই ট্রেন স্বঘোষিত; ‘পৃথিবীর সবচেয়ে ধীর গতির এক্সপ্রেস ট্রেন’। আমরা ধীরে ধীরে উপরের দিকে উঠছি, একেবারে চূড়ায়। একটু পর পর কান বন্ধ হচ্ছে, আর তেষ্টা পাচ্ছে।


পথে একের পর এক আসছে আলপাইনের বিস্তৃত ভূমি আর নাম না জানা চমৎকার সব গ্রামাঞ্চল। অপূর্ব... শব্দটা আর কতইবা বলা যায়!

ওবারাল্পপাস পৌছে ট্রেন খানিকটা বিরতি দিল। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২০৩৩ মিটার উপরে ওবারাল্পপাস আমাদের এ যাত্রার সর্বোচ্চ পয়েন্ট।

শেষ বরফ যুগেও সমগ্র সার্সেলভা অঞ্চল ঢেকে ছিল রাইন হিমবাহ দিয়ে। সেখান থেকে সময়ের ধারাবাহিকতায় জেগে উঠতে থাকে ওবারাল্পপাসের পাহাড়ি অঞ্চল। এটাই রাইনের জন্ম অঞ্চল। ওবারাল্পপাস এর লেক তমা (টোমাসী) থেকে জন্ম নিয়েছিল রাইন।

চলতে শুরু করেছে ট্রেন। এবার নামছে নিচে। আমাদের পরবর্তী স্টেশন আন্দারমাত। আন্দারমাত এ এসে কয়েক মিনিট বিরতি। যারমাত শেষ স্টেশন। তবে সে পর্যন্ত যাবনা আমরা । আট ঘন্টার জার্নির মাঝের চার ঘন্টা কাটিয়ে আমরা ব্রিগ এ নেমে যাব। ব্রিগ পর্যন্তই সীট বুক করেছি। কারণ ব্রিগ থেকে আবার জুরিখে ফিরতে হবে তারপর এগ্লিস্যাও। স্পিকারে ঘোষণা দিল, নির্ধারিত সময়ের থেকে চল্লিশ মিনিট দেরী হবে ব্রিগ এ পৌছতে, কোথায় একটা দুর্ঘটনা ঘটেছে তাই সব ট্রেনই দেরী। এগ্লিস্যাও এ ফিরতে ফিরতে রাত প্রায় নয়টা।

***
ফিরে আসার আগের দিন আবারো এলাম নদী তীরে। সারাদিন কাটাব। মুখে এসে লাগছে বাতাস। নাকে মুখে লেগে একেবারে মগজে ঢুকে গুনগান গাচ্ছে। মাথা আনন্দময় রাখতে এমন বাতাসের নিশ্চয়ই অনেক ভূমিকা আছে…গুগল করতে হবে।

ভুট্টাক্ষেত, আঙ্গুরের আবাদ, দূরের শহর, সব যেন রাইনের অমলিন রঙ, জল আর নম্র বাতাসে মত্ত হয়ে বলেছে, ‘যদি ভালোবাসো, লিখব ভীষণ গল্প।' আর রাইন অসংখ্যবার ঘোর-প্যাঁচ কেটে প্রকৃতিসুন্দরীর লাবণ্যকে আলিঙ্গন করে উত্তর দিয়েছে, ‘যদি ভালোবাসো, উৎসব হবে। আমাদেরই কেউ কেউ রুপকথা বিলোবে ময়দানে মাঠে চন্দ্রকলার ক্ষয়হীন রাতে।'

- জে এফ নুশান


Comments

গগন শিরীষ's picture

চোখ জুড়ানো সব ছবি, মন ভরে যায়। আমার ছেলের নাম রাইন, আমিই রেখেছি। কেন জানি এই নদীর নামটা মনে দাগ কেটেছিল। বেশির ভাগ লোকে ওর নাম টজিক বানামে লিখতে পারেনা, সেটা একটা সমস্যা যদিও।

অতিথি লেখক's picture

রাইন এর জন্য ভালবাসা ও শুভকামনা।

- নুশান

আব্দুল্লাহ এ.এম.'s picture

হের্টা'র সৌভাগ্যে প্রচন্ড ঈর্ষা হচ্ছে! অবশ্য কিছুটা সান্ত্বনা পাচ্ছি এই ভেবে যে, "হয়ত আমি যাপন করছি কারো না কারো কল্পিত জীবন। আবার আমার কল্পনাকে অন্য কেউ সত্যি করেছে।"
আপনাদের চমৎকার এই ভ্রমনটিকে প্রাণঢালা অভিনন্দন!

জে এফ নুশান's picture

ঠিক তাই। আমাদের সবার স্বপ্নগুলোই তো কোথাও না কোথাও সত্যি হচ্ছে নিয়ত। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

হাসিব's picture

সাধুবাদ যথাসম্ভব বাংলায় জায়গাগুলোর নাম লেখার জন্য। জায়গাগুলোর নামের পাশে ইংরেজিটা দিলে আগ্রহীরা নিজেরা একটু খোঁজ খবর করতে পারতো।

জে এফ নুশান's picture

ঠিকই বলেছেন। আচ্ছা ঠিকাছে পরের বার। অনেক ধন্যবাদ।

Post new comment

The content of this field is kept private and will not be shown publicly.