ফাউ

এক লহমা's picture
Submitted by ek lohoma [Guest] on Tue, 06/08/2013 - 7:03pm
Categories:

আমাদের ছোটবেলায় একটা দৃশ্য খুব সাধারণ ছিল। রাস্তা দিয়ে ফেরিঅলা হেঁটে যেত রকমারী বিচিত্র হাঁক দিতে, দিতে। বাংলা সাহিত্যে নানা লেখায় এই ফেরীঅলারা অমর হয়ে আছেন। অচেনা, অজানারা ক্ষতি করে রেখে যাবে - এমন আশংকায় জীবন কাটাতেন না আমাদের মা-ঠাকুমারা। এত হরেক কিসিমের ভয়ে ভয়ে বাঁচার জীবন ছিল না তখন! অনায়াসে এই ফেরীঅলারা ঢুকে আসতেন বাড়ির অন্দর মহলে। মা-ঠাকুমারা বিনা-দ্বিধায় কেনা কাটা করতেন তাদের থেকে। এই কেনাকাটার অতি আবশ্যিক অঙ্গ ছিল দরদাম করা। আমার সেই ঘোর শৈশবের একটিমাত্র দরদাম-ই আমার মনে আছে - যেন কয়েকটি স্টীল-ফ্রেমের সমন্বয়ে একটা ছোত্ত ভিডিও - তিনটি ছোতো ছোতো মানুষকে নিয়ে। আর দুটি পূর্ণ-বয়স্ক মানুষ - একজন মুড়িঅলা, আর দ্বিতীয়জন আমার সাদা থান পড়া, ছোট ছোট চুলের বালবিধবা ঠাকুমা। কেনাকাটায় ঠাকুমার কথাই শেষ কথা। মুড়িঅলা-ও সেটায় ভালমতই অভ্যস্ত। কিন্তু সবকিছুর-ই তো একটা নিজস্ব স্টাইল আছে। মুড়িঅলা শুরু করত এই দিয়ে যে এবার আর সম্ভব নয় - বাকিটা সে কি বলত সেটা অনুমান করা যেতে পারে কিন্তু সেটা আমার বোধগম্যতার মধ্যে পড়ত না, মনেও নেই তাই। আমার শুধু মনে আছে যে, সে মাথা নাড়িয়ে যাচ্ছে উঁচু বস্তাটার ও পাশে দাঁড়িয়ে। আর এদিকে একটা ইয়া বড় সড় খালি কৌটো হাতে নিয়ে ঠাকুমা দাবী করে যাচ্ছে যে আগে তার দাবী পূরণ করতে হবে তার পর বেচাকেনা। কী সেই দাবী? ঐ যে - মুড়ির বস্তা আর ঠাকুমার মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে তিন মানবক। সবচেয়ে ছোটটি, বছর দেড়-দুয়েক-এর, দু হাতে ধরে আছে একটি বাটি তার মুখের উচ্চতায়। মেজটির হাতের বাটিটি আর একটু উঁচুতে ধরা। আমি সবচেয়ে বড়টি, বছর পাঁচেক-এর, বাটি ধরে রেখেছি এক হাতে আমার মাথা ছাড়িয়ে। ঠাকুমা বলে যাচ্ছে “আগে অগ বাটিতে ফাউ দাও, তারপর তোমার পাল্লা বাইর কইর।” প্রতিবারই শেষ পর্যন্ত মুড়িঅলা বাটিগুলি হাতে নিয়ে তাতে মুঠোয় করে মুড়ি তুলে দিত। ঠাকুমা আবার দেখে নিত সেই দেওয়ার পরিমাণ ঠিক হল কি না। ফাউয়ের হিসাব মিটলে তবে শুরু হত আসল কেনা কেটা। বাবার একেবারে পছন্দ ছিলনা এ ব্যাপারটা। আশ্চর্যের হচ্ছে, মুড়িঅলা কখনোই বাবা ঘরে থাকলে বাড়িতে আসতনা। তার বোধহয় ভয় ছিল যে বাবা দরাদরীতে বিরক্ত হলে তার এবাড়িতে মুড়ি বেচাটাই বন্ধ হয়ে যাবে। তাই, সংগ্রামী ঠাকুমা আর আমাদের জন্য ঐ কষ্টার্জিত ফাউয়ের আকর্ষণ চালু রেখেই সে ধরে রেখেছিল আমাদের বাড়িতে তার মুড়ির ব্যবসা যতদিন না বাবা তাঁর চাকুরীর কারণে সেখানকার পাট উঠিয়ে আমাদের নিয়ে অন্যত্র চলে গেলেন। আমার মা’র কাছে এই ফাউ-এর জন্য হাত উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা, হাফপ্যান্ট বা পায়জামা পরা, কখনো-জামা-কখনো-নিমা গায়ে (তখন আমাদের বাড়িতে ছোটদের জন্য গেঞ্জী অত সচল ছিল না। সেলাই জানা মা’র বানান গেঞ্জী-কাটিং-এর নিমা পড়তাম তিনজনেই) প্রায় ভিখিরীর মত তিন সন্তানের ছবি মোটে পছন্দ ছিল না। প্রবল প্রতাপের ঠাকুমার মুখের উপর কথা বলতে পারতেন না বলে মেনে নিতে হত। বেচারী মা! জানত না দুনিয়া চলে ফাউয়ে।

আমার সেই ছোটবেলার স্কুল-এ (আমার প্রায় মিলিটারী বাবার রাজত্বে স্কুল-কে কিছুতেই ইস্কুল বলা চলত না), আমার সবচেয়ে প্রিয় দিনটি ছিল ১৫-ই আগস্ট। সকালবেলায় স্কুলে যাওয়া হত। কিন্তু তারপর কোন ক্লাস হত না। ছোট ছোট পতাকা হাতে নিয়ে ছেলে-মেয়ে আমরা সবাই মিলে-মিশে বেড়িয়ে পড়তাম মিছিল করে। প্রভাতফেরী। আশপাশের আরো নানা স্কুল-এর ছেলেমেয়েরাও একই ভাবে বেড়িয়ে পড়ত। এ-রাস্তা ও-রাস্তা ঘুরে আমরা যখন আবার স্কুলে ফিরে এসে লাইন করে দাঁড়িয়ে পড়তাম, তখন আসত সেই শ্রেষ্ঠ মুহূর্ত - আমাদের প্রত্যেককে দেওয়া হত দুটি করে জিলিপি। কি যে অপূর্ব স্বাদ সেই জিলিপির - অমন আর কোথ্বাও খাইনি, হ্যাঁ- অ্যা - অ্যা - অ্যা! আমার ভাই-রা তখনো স্কুলে ভর্তি হয় নি। কিন্তু আমাদের কনিষ্ঠতমটি কাউকে না জানিয়ে এক পনের-ই আগস্টে হাজির হয়ে গেল আমার স্কুলে আর বাড়ি ফিরে এসে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিল - তার দু হাতে দু-টি জিলিপি! ছোট্ট একেকটি হাতে একটির বেশী আঁটে নি। আমি নিশ্চিত - জিলিপি দিচ্ছিলেন যে দিদিমণি তিনি এই অছাত্রটিকেও জিলিপি দিতে একটুও দ্বিধা করেন নি। তখনকার মানুষগুলি এমনই ছিলেন। তবে হ্যাঁ, আমরা গলে জল হয়ে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে চলে না গেলে আমরা নিশ্চিত ছিলাম যে, আমার ভাইরাও আমার স্কুলেই যাবে। ফাউ জিলিপির শক্তিকে খাটো করে দেখার কোন কারণ নেই।

যত বড় হলাম, দেখলাম দুনিয়া ফাউয়ের বশ! সিঙ্গাড়া পাওয়া যেত দশ পয়সায় চারটা। হিসাব মত বিশ পয়সায় হত আটটা আর চার আনায় দশটা। আর এই খানেই আমরা দাবী করতাম আরো একটা পাওয়ার জন্য। এবং পেয়েও যেতাম। সব সময় যে একই জিনিস ফাউ জুটত তা নয়। এক টাকার সন্দেশ কিনলে একটা গুজিয়া মুফ্ত। আর যে দোকানে গেলে দুই বাচ্চার হাতে দুটো গুজিয়া তুলে দিত - সে দোকানে তো বার বার যাওয়া ছিল - সন্দেশ ছোট হোক আর বড় হোক। আরো একটু বড় হতে এসে গেল - বাটার নতুন জুতো! উৎসবের সময় কিনলে সাথে ফাউ মিলবে অসাধারণ সব মুখোশ কিংবা রঙ্গীন চশমা। ওঃ কি দিন ছিল!

পরবর্ত্তীতে ফাউয়ের অসাধারণ খেলা দেখেছিলাম এক বই-এ। অ্যাসটারিক্স সিরিজের ‘ওবেলিক্স অ্যান্ড কোম্পানি’-তে। ধনতন্ত্রের পাকে জড়িয়ে পিষে ফেলার জন্য সরলমতি ওবেলিক্স-কে মেনহীয়র বেচে বড়লোক হবার চক্করে নামিয়ে দ্যায় ধুরন্ধর এক পাজী, রোমান অর্থনীতি বিশারদ। আখাম্বা পাথরের, ধূমসো ছুঁচলো চাঙ্গড় মেনহীয়র দুনিয়ার কোন কাজে লাগে না। এমন মূল্যহীন বস্তুকেও স্রেফ প্রচারের জোরে মূল্যবান করে তোলা হল। ওবেলিক্স তার দলবল সমেত সর্বস্ব লাগিয়ে দিল এমন হতচ্ছাড়া জিনিস বানাতে আর বেচতে। ঘুচে গেল তাদের সহজ সরল জীবন-যাপন। একে একে মাঠে নেমে পড়ল গাদা গাদা প্রতিদ্বন্দী ব্যবসায়ী। অবধারিতভাবে একসময় কমতে লাগল মেনহীয়র -এর চাহিদা। শুরু হল মেনহীয়র কিনলে ফাউ মেনহীয়র পাওয়া। তারপর ফাউ হিসেবে মেনহীয়র-এর সাথে অন্য কোন আকর্ষণীয় জিনিস, একসময় অন্য জিনিস কিনলে মেনহীয়র ফাউ! শেষে মেনহীয়র আবর্জনা হয়ে গেল। ভরাডুবি ঘটল মেনহীয়র-সংস্কৃতির। বইটি অ্যাসটারিক্স কমেডির স্বভাবসিদ্ধ ঢঙ-এ ধনতন্ত্রের গন্ডদেশে বিরাশী সিক্কার থাপ্পড়। তবে ধনতন্ত্রের তাতে কিচ্ছু যায় আসে নি। আমার চারপাশে ফাউ-এর স্রোত। Buy-one-get-one, buy-two-get-the-third-free. সবসময় ফাউ হিসেবে জিনিষ-ও দিতে লাগছে না। দাম-এর একটা অংশ, দিন বিশেষে বিক্রী বাবদ সরকারের প্রাপ্য হওয়া খাজনা-টাকেই মকুব করে ফাউ দিয়ে দিচ্ছে।

একনায়কের হাতে নিপীড়িত জনগণকে গণতন্ত্রের আঙ্গিনায় পৌঁছে দিতে পারলে কি কি তুচ্ছু জিনিস ফাউ হিসেবে জুটে যেতে পারে, যাওয়ার কথা ছিল, যাওয়া উচিত-ই ছিল ইত্যাকার বিষয়ে প্রচুর ভারী ভারী গবেষণা হয়েছে, হবে, হতে থাকবে। বিদ্দ্বজ্জনেরা করবেন সে সব। আমার মত আম-আদমী সেই সব প্রগাঢ় আলোচনার হকদার নই। আমি শুধু অবাক হয়ে ভাবি কি ভাবে এক মহা পবিত্র দেশ গড়ার আসুরিক আয়োজনে ফাউ ধরে দেওয়া হল বাংলার মাটি, বাংলার জল! উৎসবের দিনের কাটা যাওয়া দাম-এর মত মূল্যহীন হয়ে গেল অসংখ্য প্রাণ আর নারীর ইজ্জত। ফাউ। উদ্বাস্তু হয়ে গেল, সর্বহারা হয়ে গেল গণনার অতীত মানুষ। সেখানেও শেষ নেই! ঘুরে দাঁড়ানো মানুষ গুলোর মুক্তিযুদ্ধটাকে যদি থামিয়ে দিতে পারেন, চুরমার করে দিতে পারেন, হত্যার আনন্দ নিয়ে নিন প্রাণ ভরে। সেই সাথে নিয়ে যান না, নিয়ে যান, কত মেয়ে চাই, বাংলাদেশে কত ঘর, ঘরে ঘরে মা-বোন। সব আপনার। সব মেহেরজান হুজুর, নিয়ে যান, ফাউ, পুরাই ফাউ। পারেন নাই তো কি হয়েছে, আপনার হুকুমের দাস ছাড়া তো কিছু নই! মৌলবাদ-কে যদি জিতিয়ে দিতে পারেন, মুক্তিযুদ্ধ এমনি-ই ফুস্-স্, ভ্যানিশ। গোটা দেশ-টাই ফাউ পেয়ে যাবেন! নিয়ে নিন না, নিয়ে নিন!

লেখাটা খসড়া করার সময় চোখ ভেসে যাচ্ছিল, এখনো যাচ্ছে। সেই কোন ছোটবেলায় উদ্বাস্তু বাবা-মা হৃদয়ে একটা সোনার দেশের স্বপ্ন বুনে দিয়েছিল। কোনদিন তাঁরা বিশ্বাস করেন নি যে বাংলার হিন্দু মুসলমান প্রকৃত সত্য হৃদয়ঙ্গম করে পরস্পর হানাহানি করেছিল। ভুল, মর্মান্তিক ভুল ঘটে গিয়েছিল - এই বিশ্বাস তাঁরা সঞ্চালিত করে দিয়েছিলেন আমার ভিতরে। সোনার সেই দেশটা আমার মাথার ভিতর, আমার অস্তিত্বের গহীন-এ। কিন্তু আমি তো সে দেশের জন্য কিছু করি নাই। নারকীয় অত্যাচার সয়ে সে দেশ মাথা সিধে করে উঠে দাঁড়িয়েছিল। মৌলবাদহীন আগামী পৃথিবীর দিশা সেই দেশ। সে কি সহজে পার পাবে! শকুনেরা খুবলে খাবে জ্যান্ত প্রমিথিউস। আমি ছটফট করব। আর, কিচ্ছুটি করতে পারবনা। মার খেয়ে অজ্ঞান হয়ে যাবে জেনেও মুঠো পাকিয়ে একটা গর্জন দ্যায় তুচ্ছের থেকেও তুচ্ছ হেলাল-চোরা। আমি সেই মুঠোটাও পাকাতে সাহস পাই না। ফাউ, এক্কেবারে ফাউ বয়ে গেল এই জীবন-টা!

- একলহমা


Comments

অতিথি লেখক's picture

লেখাতে মেনহীয়র (menhir) কথাটা ঠিকমত আসে নি। এখন আর কোন ভাবেই ঠিক করা যাবে কি?

লেখাতে দুটি লিঙ্ক বসানোর ইচ্ছে ছিল। অসাবধানে বাদ পড়ে গিয়েছে। তাই এখানেই বসালাম।
(১) প্রমিথিউসের শাস্তি:
http://www.sachalayatan.com/guest_writer/49828
(২) হেলাল চোরা
http://www.sachalayatan.com/leelen/49840

- একলহমা

সাক্ষী সত্যানন্দ's picture

চলুক
দুর্দান্ত! আরো লিখুন।

____________________________________
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?

অতিথি লেখক's picture

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-
আমি কি আর আপনে! মন খারাপ
- একলহমা

সাক্ষী সত্যানন্দ's picture

ক্যান? আঁই কি কইচ্চি? চিন্তিত

____________________________________
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?

অতিথি লেখক's picture

মহামানবদের ভুল ধইচ্চেন আর আমার মত ছুড লোকদিগে তোল্লা দেওয়া কইচ্চেন!
আপ্নের লেখাটা অহনো পইড়া উঠতন পারি নাই, সময় লাইগব। বাড়ি যাইবার লাইগব আগত।
- একলহমা

মর্ম's picture

বাংলাদেশ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। অনেক কিছু হবে, ভালর চাইতে খারাপটাও বেশিই হবে হয়ত, তবুও বাংলাদেশ থাকবে, ভাল থেকে ভাল হতে থাকবে, এ নিয়ে কোন সন্দেহ নেই! অনেক মানুষ দেশে। অনেকে বলে দেশটা পাকিস্তান হয়ে যাবে, অনেকে বলে ভারত- ওরা সবাই ভুল জানে। বাংলাদেশ থাকবেই, যা আছে তার চাইতে ভাল থাকবে, আমরা হয়ত থাকব না সে দেশ থাকার জন্য, পরের প্রজন্ম বা তারো পরের প্রজন্ম দেখবে- খারাপ বলতে এই এটুকুই মন খারাপ

প্রফেসর সাহেব তো হাচল হয়েই গেছেন, আপনারো আর বেশি অপেক্ষা করতে না হোক, সে শুভ কামনা চলুক

~~~~~~~~~~~~~~~~
আমার লেখা কইবে কথা যখন আমি থাকবোনা...

অতিথি লেখক's picture

"অনেকে বলে দেশটা পাকিস্তান হয়ে যাবে, অনেকে বলে ভারত- ওরা সবাই ভুল জানে। বাংলাদেশ থাকবেই, যা আছে তার চাইতে ভাল থাকবে ... " সেই আশাটাতেই বুকবাঁধা।
আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা- সচলায়তনে এসে পড়ে আমার মনে হয়েছে হাঁপ ছেড়ে বেঁচেছি। এবার যখন যেমন যা হওনের হইব। আমি বায়নামতি দিদির ভাষায় পটর পটর কইরা যাইতে পারলেই খুশী। কিন্তু, আপনার শুভ কামনায় মন ভরে আছে। আবারো অনেক আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-
- একলহমা

প্রোফেসর হিজিবিজবিজ's picture

এক লহমায় পড়ে ফেললাম লেখাটা! জব্বর লিখেছেন!
ফাউ মন্তব্য: "ছোত্ত ভিডিও - তিনটি ছোতো ছোতো মানুষকে নিয়ে" এটা কি ইচ্ছেকৃত?
চলুক

____________________________

অতিথি লেখক's picture

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-
"ছোত্ত ভিডিও - তিনটি ছোতো ছোতো মানুষকে নিয়ে" - হ্যাঁ ইচ্ছেকৃত মন খারাপ
- একলহমা

প্রোফেসর হিজিবিজবিজ's picture

মন খারাপ কেনু? কি কইলাম?

____________________________

তানিম এহসান's picture

লেখা’র শেষে এসে স্তব্ধ করে দিলেন! কিছু বলার নেই।

লেখা ভাল হচ্ছে, এইটা পড়লাম, এখন ফাউ হিসেবে আরেকটা লেখা দেন তাড়াতাড়ি হাসি

অতিথি লেখক's picture

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-
এই আক্রার বাজারে ফাউ দেওয়া যে কি কঠিন! চিন্তিত হাসি
- একলহমা

আয়নামতি's picture

গুরু গুরু

থম ধরে বসে ছিলাম লেখাটা শেষ করে। রেগে গিয়ে যদিও অনেক সময় বলি, কিসসু হবে না বাংলাদেশের।
কিন্তু খুব বিশ্বাস করি; হবে, হতেই হবে। তোমার মন্তব্য জানান দিয়েছিল কেমন ধার তোমাতে। এ লেখা সে ভিতে 'ডাবল এল' জুড়ে দিলো দিদি! অসাধারণ লিখো তুমি। লেখালেখি চলুক হাসি

অতিথি লেখক's picture

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-
না না, দিদি যত বলছ, তত কিছু না, আমি জানি।
- একলহমা

স্যাম's picture

চলুক চলুক
পড়ে ফাউ মন্তব্য করা কঠিন।

অতিথি লেখক's picture

হ, ফাউ মন্তব্যে কি কাম?
আপনার ২২-শে শ্রাবণ-এর ব্যানার অসাধারণ হয়েছে, ব্যানার্জি, যেমন হওয়ার কথা, অবশ্যই। অনেক আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-
- একলহমা

মালাকাইেটর ঝাপী's picture

চলুক

অতিথি লেখক's picture

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-
- একলহমা

এস এম নিয়াজ মাওলা's picture

অসাধারণ! লেখার প্রথম দিকে বুঝতেই পারিনি শেষে কি আছে! আর শেষটায় এসে থমকে গেছি!
----
আমরা নতুন প্রজন্মরা অতো সহজে বাংলাদেশকে পরাজিত হতে দিবো না, শকুনেরা একদিন মারা যাবেই, একদিন আমাদেরো মাঝে হারকিউলিস আসবে।
----
ভালো থাকুন, খুব খুব খুব। আর ঈদের শুভেচ্ছা রইলো।

-এস এম নিয়াজ মাওলা

অতিথি লেখক's picture

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-
----
নিশ্চয়ই
----
ঈদের শুভেচ্ছা নিয়াজ-ভাই।
- একলহমা

অতিথি লেখক's picture

দারুন লাগলো লেখা চলুক ,

Quote:
সিঙ্গাড়া পাওয়া যেত দশ পয়সায় চারটা

-পুরাই তাজ্জব ব্যাপার-স্যাপার
ইসরাত

অতিথি লেখক's picture

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-
হ, এখন ভাবলে তাজ্জব-ই লাগে।
- একলহমা

ওডিন's picture

আশা নিয়ে এখনো বেঁচে আছি। কিন্তু সেই আশাটায় মাঝে মাঝেই কুঁকড়ে যায়। । গতবছর রামুর ঘটনায়, গতবছর আর এইবছরজুড়ে সাতক্ষীরা , আরো অনেক জায়গার সব ঘটনা। কয়দিন আগে মাটিরাঙায়।

তারপরেও 'ফাউ' একটু আশা করি আরকি। হাসি

অতিথি লেখক's picture

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-
আপনাদের ভালবাসাতেই শুধু যদি হাসিল করা যেত, কথা ছিল না কোন। কিন্ত আমার নিজের সামর্থ্য এত কম!
- একলহমা

রাত-প্রহরী's picture

প্রতিটি লেখার মন্তব্যের অংশে আমি আপনার মন্তব্যটা অবশ্যই পড়ি। পড়তে ভালো লাগে।
এতদিনে এসে আমি আপনার লেখাটা পড়লাম! এটাই আপনার লেখা পড়ার প্রথম অভিজ্ঞতা।
অসাধারণ লেখা। চোখের জলে আমাকেও ভেজালেন আপনি। কারণ, এই দেশটার জন্য আমার অনেক ভালোবাসা, অনেক আবেগ।
ভালো থাকবেন ।
*******************
দু'টো বিষয় -----
১। পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস ১৪ই আগষ্ট। ১৫ই আগষ্ট জিলিপী দিতো কেন স্কুলে?
২। আপনার 'দূরবীণ' লেখার লিংক খুলছে না। কিন্তু আমি পড়তে চাই। ভুল হয়ে থাকলে সঠিক লিংক দেবেন। আমি পড়তে চাই। আমি অবশ্যই পড়তে চাই।

অনেক শ্রদ্ধা আপনার জন্য একলহমা।

--------------------------------------
কামরুজ্জামান পলাশ

অতিথি লেখক's picture

প্রিয় পলাশ, আপনার ভাল লেগেছে, এটা যে আমার কত ভাল লেগেছে সেটা বলে বোঝাবার ভাষা আমার জানা নেই। অনেক ধন‌্যবাদ আপনাকে।
'দূরবীণ' লেখার লিংক এখানে পাবেন
http://www.sachalayatan.com/guest_writer/49844
কোথাও একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়ে গিয়েছি। আমি স্কুলে গিয়েছি আমার জন্মভূমি ভারতে। আর, ভারতের স্বাধীনতা দিবস, সে ত আপনি জানেন-ই ১৫ই আগস্ট। হাসি
- একলহমা

রাত-প্রহরী's picture

আরিব্বাস! আপনার লেখার মধ্যে এতোটাই বাংলাদেশ যে, আমি ধরতেই পারিনি!
আবার লেখাটা পড়লাম। আবার নতুন করে চোখ ভিজিয়ে দিলেন। এবার ভিজলো আপনার বাবা-মা'র উদ্বাস্ত হয়ে যাবার কষ্টে।
অনেক ভালো থাকবেন দাদা। আর কে বলেছে আপনি কিছু করেননি স্বপ্নের সেই দেশটির জন্য? কিছু করতে পারেননি এটা লিখে, এই হাহাকারটুকু ছড়িয়ে দিয়ে অনেক জন এর মাঝে আপনি দেশপ্রেম জাগিয়ে দিতে পারলেন। আমি উদ্বুদ্ধ হলাম অনেক বেশী। এতাই বা ক'জন পারে বলুনতো?

-----------------------------
কামরুজ্জামান পলাশ

Post new comment

The content of this field is kept private and will not be shown publicly.