সীমান্তে এমনকি ১২ বছরের শিশুর লুঙ্গির নিচে মারনাত্মক বিধ্বংসী অস্ত্র পাওয়া যায় বলে বিএসএফ বাংলাদেশীদের গুলি করে মারে। এই অব্যর্থ যুক্তির পক্ষে দাঁড়ানো ভারতীয় সাবেক হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জণের পর এবার ভারতের স্বরাস্ট্র সচিব রাজ কুমার সিং বললেন, "বিএসএফ আক্রান্ত হয় বলেই গুলি চালায়"।
আমার হিসেবে কমপক্ষে ৩২ জন।
এটা নিয়ে একটা পোস্ট লিখছি।
পোস্টের একটা অংশ তুলে ধরলাম-
২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১২, দিল্লীতে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আলোচনা করেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ও ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম।
আলোচনায় ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম বলে, গত আট মাসে আত্মরক্ষা করতে যেয়ে বিএসএফ মাত্র চারজন বাংলাদেশী হত্যা করেছে।
বুঝলাম পি চিদাম্বরম ভারতীয়, সে মিথ্যা বলতেই পারে। কিন্তু মাননীয়া সাহারা খাতুন, আপনি তো সেখানে উপস্থিত ছিলেন, আপনি মাত্র চারজন খুন হবার ও আত্মরক্ষার্থে বিএসএফের গুলি চালানোর এই মিথ্যাগুলোর কোন প্রতিবাদ করলেন না কেন?
যেখানে মাসে গড়ে তিনজন করে খুন হচ্ছে বিএসএফের হাতে, সেখানে আট মাসে মাত্র চারজন খুন হবার মত মিথ্যার প্রতিবাদ করা উচিত ছিল-না কি?
সীমান্তে বিএসএফ আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায়, এটা অনেক বড় মিথ্যাচার। লিংক: http://dev-bd.bdnews24.com/bangla/details.php?id=186886&cid=2&hb=top
ওদের বলা হইছে, সীমান্তে বাংলাদেশী দেখলেই মারবা।
ওরা তাই করে।
আর বাংলাদেশী মারার পর ভারত একটু আধটু উহু কইরা আমাদের সরকারকে বুঝ দেয়।
আমাদের নতজানু সরকার, প্রভু! বইলা খুশিতে ফাল পাইড়া কই, 'ওরা কইছে না আর মারবো না, তয় আর মারব না, মারলেও মিসটেকলি মারব। আর চোরাকারবারি, অবৈধ সীমান্ত পারাপারকারী, গরু ব্যবসায়ী বাংলাদেশীরা কি মানুষ নাকি? ওরা নিম্নবর্গের মানুষের মত দেখতে একধরণের দো পেয়ে জীব। ওগোরে মারন জায়েজ'।