সচলায়তনকে ঊদ্ধৃত করা পেপার। অটোমেটেড মডারেশন নিয়ে। অসংখ্য দুর্বলতা সত্ত্বেও পেপারটা আগ্রহ জাগাচ্ছে অটোমেটেড মডারেশন ধারণাটার ব্যাপারে চিন্তা করতে। এমন অটোমেটেড লার্নিং মডারেটর তৈরি করা যায়, যার সাথে একজন মূল মডারেটরের সিদ্ধান্তগত পার্থক্য হবে একজন সহকারী মানব মডারেটরের সাথে একজন মূল মডারেটরের সিদ্বান্তগত পার্থক্যের চেয়ে কম?
এখন দ্বিতীয় প্রশ্ন আসে, “স্বভাব ও স্বভাব যাতে বিরাজ করে সেই ভাষা” অপরিবর্তনীয় কিনা? যদি তার পরিবর্তন এমনভাবে ঘটানো যায়, যে তাতে “মানুষ ও তৎসম্পর্কিত যাবতীয় মৌল ধারণা” এবং “মেশিন ও তৎসম্পর্কিত যাবতীয় মৌল ধারণা” সমান সমান জায়গায় আসে, তাহলে তখনও “মানুষ মডারেটর = মেশিন মডারেটর” বিনাতর্কে গ্রহণীয় হয় কিনা? (অন্তত ভৌত অস্তিত্বের স্বরূপ তো তাদের আলাদা।) যদি হয়, তাহলে তৃতীয় প্রশ্ন উদ্ভূত হয়।
“মানুষ ও তৎসম্পর্কিত যাবতীয় মৌল ধারণা” এবং “মেশিন ও তৎসম্পর্কিত যাবতীয় মৌল ধারণা” একই হইলে তো আর এই দুই ধারণাকে পৃথক রাখার প্রয়োজন নাই। সেই ক্ষেত্রে, - এইটা হইল তৃতীয় প্রশ্ন – মানুষ আর মেশিনের মধ্যে আপনি ভৌত মাল হিসাবে (কারণ তাদের ‘ধারণা’ তো সেইম, খালি ভৌত কাঠামোটা আলাদা) কোনটারে বাইছা নিবেন? এবং নিলে কীসের ভিত্তিতে নিবেন। সুতরাং চতুর্থ প্রশ্নের দেখা পাই।
মানুষ আর মেশিনের ধারণা (লাকাঁর ভাষায় সিম্বলিক অর্ডারে, [লাকাঁয় আগ্রহ নাথ থাকলে লাকাঁ সংক্রান্ত এই ব্র্যাকেট ও পরের ব্র্যাকেটের ফোড়ন ইগনোর করেন]) সেইম হইলেও, তারা যদি ভৌত (ধরি এইটা লাঁকার ভাষায় রিয়েলের সমান্তরাল একটা দশা)মাল হিসাবে আলাদা হয়, তাইলে, আপনি তাদের ভৌতচরিত্রের তুলনা কৈরা বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত নিবেন। সেই ক্ষেত্রে – এই যে মানুষরে আপনি তার ভৌতচরিত্রে সঙ্কুচিত করলেন, সেইটা করার পরে, আর কোনো ইথিকাল বাছাই সম্ভব হয়? কারণ দশকেজি আর নয়কেজির তুলনা একটা ইথিক্স অ-সাপেক্ষ বিষয়।
আপনের প্রশ্নটা ইথিকাল ছিল না। আমি খালি আলাপের মোড় ঘুরাইতে প্যাচাল পার্লাম।