ইউনূস সাহেবকে বা তার ভক্ত মুরীদানদের নিয়ে আমার কোন সমস্যা নাই। আমার সমস্যা হলো ইউনূস সাহেবকে অচ্ছূৎ বানায় ফেলা নিয়ে। দারিদ্র্য বিমোচনে ওনার ভূমিকা ভাল হলে আমি খুশী অন্য সবার মত, কিন্তু I don't want to take it for granted. এই লেখাটা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়েছে কারণ এখানে যেটা বলা হয়েছে তার সাথে একমত - গ্রামীণ ব্যাঙ্ক খালি সাফল্যের কথাই বলে, কত শতাংশ সফল সেই কথা বলেনা।
ড. ইউনূসের পক্ষে অথবা বিপক্ষে এই মুহূর্তে আমার কিছু বলার নেই। কিন্তু আমি আতঙ্কিত এইজন্যে যে, যদি আমার কিছু বলার থাকত তাহলে সেটি মাদ্রাসার মধ্যে গিয়ে বিবর্তনবাদের পক্ষে বলার মত হত একটা ব্যাপার হত! আক্রোশের অন্ধত্ব দেখতে ভালো লাগে না। কোন পক্ষেরই!
কতাংশ সফল সেটা তো প্রশ্নবিদ্ধ বটেই পাশাপাশি সেই আংশিক সাফল্যে নোবেল প্রাপ্তি তথা মহানায়ক জ্ঞাত হবার মত বিষয়ও প্রশ্নবিদ্ধ; ঐ লেখায় সেটাও গুরুত্বপূর্ণ বোধ হয়।
আক্রোশের অন্ধত্ব মূলক কিছু বলেছি বলে তো মনে হচ্ছে না।
পাও যখন আছে, আর সেইটা আন্তর্জাতিক মানের, চাটতে সমস্যা কী [আবার পা বললে শরীরের যে বিশেষ অঙ্গ যেইটা উসাইন বোল্টেরও আছে আবার মোসাদ্দেকালিফালুরওআছে, ঠিক সেইটাই বুঝাইলে সমস্যা।]
এইখানে আন্তর্জাতিক মানটা ঠিক কোন অর্থে ব্যাবহার হচ্ছে? আর মানটা কোন খানে গেলে সেটাকে আন্তর্জাতিক বলা হবে? মান আন্তর্জাতিক হইলেই কি সেটার সাত খুন মাপ মানে সর্ব্জনগ্রহণযোগ্যতা পেয়ে যাবে এবং কোন প্রশ্ন করা যাবে না? নন-আন্তর্জাতিক মান কি আন্তর্জাতিক মানের মানকে টপকে যেতে পারে না?
সাফি ভাই, আমার মনে হয়েছিল আপনি অনর্থক প্রশ্নটা করেছেন। সেইজন্যে আর কথা বাড়াইনি। ইউনূসের পা চাটাদের সঙ্গা জানতে চাওয়ার আমার কারণ ছিল এই যে, আমি যদি কোন ব্যক্তি/গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ড/মন্তব্য/বক্তব্যের বিরোধ করি আর সেই বিরোধ আংশিক বা পূর্ণভাবে ড. ইউনূসের পক্ষে যায়, অথবা আমি যদি ড. ইউনূসের কোন একটি অথবা সকল কর্মকাণ্ডের পক্ষ নেয়ার জন্যেই কোন যুক্তি উপস্থাপন করি, অথবা ড. ইউনূসের কোন একটি অথবা অনেকগুলো কর্মকাণ্ড আমার কাছে ইতিবাচক মনে হয় তাহলে আমি 'ইউনূসের পা চাটা' হব কিনা!
এখন বলেন, যেই বস্তু কাকে বলে তাই আমার জানা নাই সেই বস্তু দেশে আছে কি নাই তা আমি কীভাবে বলব! প্রসঙ্গত, পরের মন্তব্যটিতে আমি বলতে চেয়েছিলাম যে, জেহাদি জোশ তা সে যে পক্ষেরই হোক, আমার ভালো লাগেনা।
ডঃ ইউনূসকে নিয়ে অব্জেক্টিভ আলোচনার প্রয়োজন আছে, কিন্তু কোন এক আশ্চর্য কারণে এই আলোচনা করতে গেলেই পক্ষে বিপক্ষের কথা চলে আসে। মাঝখানে থেকে কী আলোচনা করা যায়না? তোমার মাদ্রাসায় যেয়ে বিবর্তনবাদের উদাহরণ দেখে মনে হয়েছে এই বাইনারী ডিস্টিঙ্কশনের বাইরে চিন্তা করতে পারছনা।
[বেশি রাগান্বিত হয়ে মন্তব্য করা হয়ে গেছে মনে হচ্ছে]
আক্রোশের অন্ধত্ব মূলক কিছু বলেছি বলে তো মনে হচ্ছে না।
অনিন্দ্য ভাই, আন্তর্জাতিক মানের দেইখাও অনেকে লেহন করে।
এখন বলেন, যেই বস্তু কাকে বলে তাই আমার জানা নাই সেই বস্তু দেশে আছে কি নাই তা আমি কীভাবে বলব! প্রসঙ্গত, পরের মন্তব্যটিতে আমি বলতে চেয়েছিলাম যে, জেহাদি জোশ তা সে যে পক্ষেরই হোক, আমার ভালো লাগেনা।