আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, যা একাত্তর তথা গোটা বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের একটি অমীমাংসিত অধ্যায়ের মীমাংসা করছে, তার পেছনে সরকারের বিনিয়োগ কতো হাস্যকর, সেটা টের পাওয়া যায় যখন দেখি ফাইল পাচারের অভিযোগে আটক পরিচ্ছন্নতা কর্মী নয়ন আলী কম্পিউটারে চিঠিও কম্পোজ করতো। সরকার একজন আলাদা ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগ করতে পারে না চিঠিপত্র কম্পোজের জন্য, সেটা একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মীকে দিয়ে করাতে হয়। ঐদিকে দেড়শো জন লোক নিউ ইয়র্কে যায় প্রমোদ ভ্রমণে।