আলবাব'র বউ, বাটা, বলসাবান

শেখ জলিল's picture
Submitted by sheikhjalil on Mon, 10/03/2008 - 9:19pm
Categories:

আশির দশকে কবিতার পোকা যখন মাথায় কামরায় কবিবন্ধু দেলোয়ার হোসেন হীরা তখন আমার সহপাঠক। রাতদিন কবিতা পড়ি, সময়ে অসময়ে পড়ি। পত্রপত্রিকায় পড়ি, লিটল ম্যাগাজিনে পড়ি, হাতের কাছে বই পেলেই পড়ি। দেলোয়ার হোসেন হীরার বাড়ি ঝালকাঠিতে। ও কবি আবুল হাসান-এর ভক্ত। ওর কাছ থেকে প্রিয় কবির বই নিয়ে পড়ি। আমিও ভক্ত হয়ে যাই কবি আবুল হাসান-এর। মোদ্দা কথা সেদিনগুলো হয়ে যায় আবুল হাসানীয়। আমরা দুজন মিলে বাগমারা হোস্টেল থেকে বের হয়ে রেললাইন ধরে হেঁটে প্রেসক্লাব,সানকিপাড়া, কলেজ রোড যাই। আশেপাশের বস্তি, ছন্নছাড়া মানুষের দুঃখ-দুর্দশা চাক্ষুষ দেখি। দারিদ্রপীড়িত মানুষের ক্ষুধার কষ্ট আরও জাজ্বল্যমান হয় চোখের গভীরে। সেই সাথে আবুল হাসান-এর কবিতার দুঃখ আমাদের হৃদয়কন্দর ছোঁয়। আমরাও জানতে চেষ্টা করি- 'দুঃখের অপর নাম আবুল হাসান'। তখনই পড়েছিলাম হুমায়ূন আহমেদ-এর 'নন্দিত নরকে' এবং 'শঙ্খনীল কারাগার' উপন্যাস দুটো। উপন্যাসের মন্টুর দুঃখগুলো নিজের ভেতর গেঁথে ফেলি, এক হয়ে যাই ওর পরিণতির সাথে। ..এই ছিলো আমার কাব্যচর্চার দিনকাল, যাপিত জীবন।

শুরুতে এতো কথা বলার প্রয়োজন ছিলো না। তবুও বলতে হলোই। কারণ গত সাতদিন গেছে আমার ঘোরলাগা আলবাব'র সময়। আর মনে পড়েছে আশির দশকের ঐ দিনগুলোর কথা। বইমেলায়ই নজমুল আলবাব-এর বই 'বউ, বাটা, বলসাবান' কেনার ইচ্ছে ছিলো। আলবাব কিনতে দেননি। আমার জন্য নাকি সৌজন্য কপি আছে! বইমেলার পর ডাকযোগে ঠিকঠাক পেয়ে যাই 'বউ, বাটা, বলসাবান'। তেরোটি গল্পের যতোই ভেতরে যাই ততোই মনে পড়তে থাকে হুমায়ূন আহমেদ-এর প্রথম দুটি উপন্যাসের কথা। আর কবি আবুল হাসান-এর নীল কষ্ট আমার বুকটা চেপে ধরে। আমি কষ্টের আনন্দে নজমুল আলবাব-এর বইয়ের পাতা বারবার উল্টাই। এমন কি বউয়ের সাথেও শেয়ার করি। বউ আমার বাংলায় মাস্টার্স। উনার হাইথট কথাবার্তায় আলবাব-এর গল্পে সঠিক বাক্যগঠন, রচনাশৈলী, পটভূমি নিয়ে প্রশংসার ফুলঝুরি আমার পড়ার আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দেয়।

একবার নয়, কয়েকবার পড়ি আলবাব-এর গল্পগুলো। অসাধারণ গল্প- 'বউ, বাটা, বলসাবান', 'বিভিন্ন মিতভাষণ' এবং 'ব্যক্তিগত ব্যাখান'। 'বিভিন্ন মিতভাষণ' এবং 'ব্যক্তিগত ব্যাখান'-এর প্রতিটি বাক্যেই আমি পেয়েছি একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাসের এক একটি পরিচ্ছেদের স্বাদ।
...আমি ভুলেও আশফাক ভাইয়ের নাম উচ্চারণ করি না।
...কিন্তু মীরু সেদিন আসবে না।
...সে এক ঘোর লাগা সময়...দ্রোহের আগুনে জ্বালিয়ে দিতে চাই পুরোটা বর্তমান।
...সেদিন থেকে আকাশ আর আকাশি রং আমার সবচেয়ে প্রিয়।
...তুই কাছে থাকলে আমার আকাশটা কতো উজ্জ্বল হয়ে যাবে।
আলবাব-এর বইটি পড়তে পড়তে এসব বাক্যে, লাইনে, শব্দে আমি কষ্টের নন্দিত নরক পাই, আটকে পড়ি শঙ্খনীল কারাগারে এবং দুঃখের অপর নাম আবুল হাসান হয়ে যাই।

'আমার কোনোদিন দুধ চা খাওয়া হবে না' গল্পটি ব্লগে পড়েছি। নতুন করে আবার পড়লাম। স্বল্প আয়ের চাকুরীজীবির জীবনযন্ত্রণা এতো সুন্দরভাবে কেউই তুলে আনতে পারেননি, যেটা নজমুল আলবাব পেরেছেন। গল্পটি পড়ে মনে হয়েছে- এরকম সৎ চাকুরীজীবি মানুষ আছে বলেই এদেশে এখনও বেঁচে থাকা স্বার্থক। বইয়ের সব গল্পই ভালোলাগার। 'আপন ভূমিকা','দেয়ালের দাগ', 'বৃষ্টি পিয়াসী আমি আর শাহানা'- প্রাণছোঁয়া,মনকাড়া, পাঠকের হৃদয় দিয়ে অপুর দুঃখকষ্ট অনুভব করার মতো গল্প। 'বউ, বাটা, বলসাবান', 'কালঘুম নেমে আসে তার চোখে' এবং 'আমাদের ক, খ, গ, ঘ, এবং ঙ' গল্পে আমাদের সমাজকে নজমুল আলবাব চোখে আঙুল দেখিয়ে দিয়েছেন মারাত্মক ভুলগুলো। হাবিব আলীর পতাকা পুরাণে বলেছেন স্বাধীনতা বিরোধীদের আস্ফালনের কথা, অপার্থিব সুখানুভূতির কথা।

গল্পকার নজমুল আলবাব নিজেই বলেছেন- যখনই যে ঘটনা ঘটেছে চোখের সামনে অথবা মনে, তখনই মাথায় জন্ম নেয়া শব্দ আর বাক্যগুলো অবিকল বেরিয়ে এসেছে কলমের ডগা দিয়ে। আমার কথা অন্য। এরকমভাবে ক'জনেরই বা দেখার চোখ থাকে যা দেখেছেন আলবাব তাঁর বউ, বাটা, বলসাবান গল্পগ্রন্থে। নজমুল আলবাব-কে ব্লগে আমি এতোদিন শক্তিশালী কবি বলেই জানাতাম। এবার নতুন করে জানলাম তাঁর গদ্য কতো শক্তিশালী। সবশেষে বলবো- নজমুল আলবাব এরকম হৃদয়ছোঁয়া অণুগল্পের পাশাপাশি 'এই মেঘ, রাত ও রৌদ্র'এর মতো বড়ো গল্প ও উপন্যাস উপহার দেবেন সামনে। এই আশায় আছি বুক বেঁধে।
১০.০৩.২০০৮


Comments

ইশতিয়াক রউফ's picture

আমিও একই আশায় আছি। গল্পগুলো আরো বড় হোক।

ফারুক হাসান's picture

আহারে, বইটা এখনও পড়তে পারি নাই!
ভাষার মৃদু, সৌম আর আলতো শব্দগুচ্ছ নিয়ে নজমুল আলবাব যে গল্পগুলো লিখেন- তা পড়ার চেয়ে সুখকর অভিজ্ঞতা আর কী হতে পারে!
জলিল ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ এই পোস্টের জন্য।

----------------------------------------------
আমাকে নিঃশব্দে অনুসরণ করে একটা নদী-
সাথে নিয়ে একটা পাহাড় আর একটা নিঃসঙ্গ মেঘ।

মুহম্মদ জুবায়ের's picture

নজমুল আলবাবের বইটি আমার হাতে নেই, তাঁর গল্পও সাকুল্যে গোটা চার-পাঁচেক পড়েছি। তাতেই আমি অনুরক্ত পাঠক। এক ধরনের ঝিম-ধরানো গদ্য লেখেন এই লেখক।

লেখার ধরণটির সঙ্গে তাঁর গল্পের আকার মানিয়ে যায় বলে আমার ধারণা। তিনি নিজের মতোই লিখবেন, আমাদের পরামর্শে তাঁর নিজস্ব ধাঁচটি বদলের দরকার মনে হয় নেই। একান্তই নিজস্ব মত আমার। লেখক নিজে কী বলেন?

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

নজমুল আলবাব's picture

মাঝে মাঝে কথা আসেনা মুখে। শব্দগুলো বেকুব হয়ে যায় অথবা নিজেই হই। আপ্লুত হই, ভালবাসা শব্দটার সাথে পরিচিত হই নতুন করে।

এইসব ভালবাসা আছে বলেই এই বেঁচে থাকা।

আমি যখন লিখি আলাদা কোন ভাবনা কাজ করেনা কখনও মনের ভেতর। নিজের মত আটপৌরে বাক্যগুলোই আমার পছন্দ।

জলিল ভাই আমার লেখা পড়বেন কখন এই অপেক্ষায় থাকি ব্লগের প্রথম থেকেই।

জুবায়ের ভাইকে প্রথম ব্লগে দেখে মেলাতে পারিনি। লেখা পড়ে নিশ্চিত হওয়ার পর, সবসময় মনে হত, আহা জুবায়ের ভাই যদি আমার লেখা নিয়ে কিছু বলতেন। সচলে আসার পর আমি তাকেও পেলাম। সচলে মেসেজ অপশনটার কাছে কৃতজ্ঞ, তুমি আছ বলেই হে মেসেজ, জুবায়ের ভাই আমাদের মত অর্বাচিনদের দিকে নজর রাখতে পারেন।

লেখার ধরনের যে বিষয়টি এসেছে, সেই উত্তর জুবায়ের ভাইই দিয়ে দিয়েছেন। আসলে নির্দিষ্ট কোন স্টাইল ধরে কিন্তু লেখা হয়না আমার। যেভাবে লিখছি সেভাবেই লিখতে চাই। যদি লিখতে লিখতে ধরনটা বদলায় সেটায় আমার হাত থাকবেনা।

ফারুক হাসান এবং ইশতিয়াক রউফকে ধন্যবাদ।

ভুল সময়ের মর্মাহত বাউল

আনোয়ার সাদাত শিমুল's picture

জলিল ভাইয়ের রিভিউ ভালো লাগলো।

বইটি পাতা উলটে বিক্ষিপ্তভাবে পড়েছি। মন দিয়ে পড়ে, আরেকটা রিভিউ লিখার আশা রাখি।

ঝরাপাতা's picture

১০ তারিখ কিনলেও রিসেন্টলি পড়া শেষ করেছি। এর আগে বন্ধুদের দখলে ছিলো। বেশিরভাগ গল্প আগেই ব্লগে পড়েছি। যে কথাটা মনে হয়- আলবাব ভাইয়ের গল্পকে শুধু গল্প বলে কখনো মনে হয়না, মনে হয় এ আমার জীবনেরই একটা ছবি, বড় বেশি জীবন ঘনিষ্ঠ। অপুদা আরো অনেক অনেক গল্প লিখুন (অবশ্যই সাথে স্নিগ্ধ কবিতাও) এই প্রত্যাশাই করছি।


রোদ্দুরেই শুধু জন্মাবে বিদ্রোহ, যুক্তিতে নির্মিত হবে সমকাল।


বিকিয়ে যাওয়া মানুষ তুমি, আসল মানুষ চিনে নাও
আসল মানুষ ধরবে সে হাত, যদি হাত বাড়িয়ে দাও।

পরিবর্তনশীল's picture

বইটা কিনতে ইচ্ছে করতেছে।

---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল

---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল

মাহবুব লীলেন's picture

ছোটখাট মানুষ নজমুল আলবাবের ছোটখাট বইটার ভেতরে ছোট ছোট কথায় ছোট ছোট গল্পগুলো সত্যিই অনেক বড়ো বড়ো দাগ ফেলে ভেতরে কোথাও

শেখ জলিল's picture

ফারুক হাসান, নজমুল আলবাব, আনোয়ার সাদাত শিমুল, পরিবর্তনশীল, ঝরাপাতা এবং মাহবুব লীলেন প্রত্যেকের জন্য ধন্যবাদের ডালা।
মুহম্মদ জুবায়ের এবং ইশতিয়াক রউফকেও ধন্যবাদ। আর মন্তব্যের জবাবে আমার লেখার অংশ তুলে দিলাম-
নজমুল আলবাব এরকম হৃদয়ছোঁয়া অণুগল্পের পাশাপাশি 'এই মেঘ, রাত ও রৌদ্র'এর মতো বড়ো গল্প ও উপন্যাস উপহার দেবেন সামনে। এই আশায় আছি বুক বেঁধে।

যতবার তাকে পাই মৃত্যুর শীতল ঢেউ এসে থামে বুকে
আমার জীবন নিয়ে সে থাকে আনন্দ ও স্পর্শের সুখে!

সুলতানা পারভীন শিমুল's picture

বইটার ৭/৮ টা গল্প পড়া হয়েছে।
যে ব্যাপারটা চোখে পড়ার মতো, বর্ণনায় কোন রকম বাড়াবাড়ি নেই। তারপরেও সহজ সরলভাবে কি দারুন ছুঁয়ে যাওয়া...

...........................

সংশোধনহীন স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন দেখি একদিন

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

গৌতম's picture

যে গল্প নিজেকে ছুঁয়ে যায়, সেগুলো নিয়ে হয়তো ভাবা হয় না বেশি। কিন্তু সঙ্গোপনে, যখন একা থাকতে হয় কিংবা হাজার হাজার নাগরিকের ভিড়ে নিজেকে আলাদা করতে হয়, তখন এই গল্পগুলোর বোধ নিজেকে হারাতে সাহায্য করে। মনে হয়, কী যেন ছুঁয়ে গেলো! কিন্তু কী ছুঁয়ে গেল, সেটাই বুঝা যায় না। শুধু বুঝা যায় স্পর্শটা হয়তো শীতল ছিলো, পাথরটা হয়তো ভারী ছিলো... নাজমুল আলবাবের গল্প স্পর্শ করে।

জলিল ভাই, বাগমারা রেলগেটের রাস্তাটা কি এখনো এবড়োথেবড়ো আছে? ওই রাস্তায় একটা মধুর স্মৃতি ছিলো যে!
.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

ধূপছায়া's picture

সুন্দর রিভিউ। নজমুল আলবাবের বইটি কোথায় পাওয়া যাবে?

আনোয়ার সাদাত শিমুল's picture

আজিজ মার্কেটে শুদ্ধস্বর প্রকাশনীতে পাবেন।

নিঘাত তিথি's picture

ছোটগল্প আমার খুব প্রিয়। "ভোরের কাগজ"-এর "পাঠক ফোরাম" থেকে পরিচয় হলো অনুগল্পের সাথে। নজমুল আলবাব ভাইয়ের "বউ, বাটা, বল সাবান" আমার এ যাবৎকালের পড়া সবচেয়ে অসাধারণ অনুগল্প। এত অল্প কথায় যে এত চমৎকার, আকর্ষনীয় করে লেখায় যায়!

জলিল ভাই সুন্দর রিভিয় করেছেন। পুরো বইটি পড়ার জন্য হা করে আছি। এখনও সুযোগ মিললো না।
----------------------------------------------------
আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ

----------------------------------------------------
আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ

দ্রোহী's picture

চমৎকার এই রিভিউ এর জন্য জলিল ভাইকে ধন্যবাদ।

"নজমুল আলবাব কে?" আমাকে কেউ এ প্রশ্ন করলে আমি জবাব দিবো, "বউ, বাটা, বলসাবানের মালিক।"

নজমুল আলবাবের গদ্যের সাথে পরিচয় ব্লগের মাধ্যমে। তাঁর গল্পগুলো বইতে পড়ার সুযোগ হয়নি। কোনভাবে বই সংগ্রহ করতে পারলেই পড়া হবে।


কি মাঝি? ডরাইলা?

অতিথি লেখক's picture

নাহ, রিভিউ দেখে পুরন কথা মনে পরে গেল। নাজমুল আলবাব ভাইয়ের গল্প সবসময় ব্লগে এসে পড়তাম। বই যে বের হয়েছে সেটা মনে হয় মিস করে ফেলেছি কোন এক ফাঁকে। শুদ্ধিস্বরে একবার হানা দেয়া লাগে তাহলে। সংগ্রহে রাখতেই হবে। চমৎকার রিভিউর জন্য ধন্যবাদ। আর কবি আবুল হাসানের কথা বলে বুকটা ফাঁকা করে দিলেন। প্রিয় নিঃসঙ্গতার অমর কবি।

অন্তরা রহমান

ষষ্ঠ পাণ্ডব's picture

আপনি অনেক পিছিয়ে আছেন দেখছি। শুদ্ধস্বর আর বাংলাদেশে নেই। ২০১৫ সালের অক্টোবরে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে আর গুলি করে শুদ্ধস্বরকে বাংলাদেশে নাই করে দিয়েছে।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

মুনতাসীর's picture

আরেক মন্তব্যে পড়লাম উনি ভার্সিটিতে ডাক্তারি পড়তেন।

ওনার কথাবার্তা শুনে মনে হচ্ছে উনি ভেজাল লোক। সচলদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

অতিথি লেখক's picture

আমি যে ভেজাল লোক সেটা লুকিয়ে রাখার অনেক চেষ্টা করেও পারলাম না। আপনার মাঝে শার্লক হোমসের যে ছায়া দেখা গিয়েছে তাতে আমি মুগ্ধ। ইয়ে, আমরা যারা ডেন্টাল বা মেডিক্যাল কলেজে পড়ি তারা এক কথায় ভার্সিটিই বলি যদি না কেউ বিস্তারিত জানতে চায়। সেক্ষেত্রে আবার একটা দম নিয়ে "পাইওনিয়ার ডেন্টাল কলেজ এন্ড হসপিটাল" বলা লাগে। ঝামেলা। আর নিজেদের মধ্যে, মানে একই ব্যাচ বা একই পেশার হলে ছোট করে PDC 13 বলি। ধুরু, কাকে কি বুঝাই। ভালো থাকবেন ভাই।

অন্তরা রহমান

অতিথি লেখক's picture

দুঃখিত যে ব্যাপারটা মাথায় ছিল না। মনে আছে। যেই হামলায় রণদা আহত হয়েছিলেন। আসলেই ভুলে গিয়েছিলাম। অবশ্য যে দেশে দিন-মাস-সালের চাকা গড়ায় কিন্তু বিচারের নাম-গন্ধও খুঁজে পাওয়া যায় না সেখানে আমার ভূলে যাওয়াটা ক্ষমার্হ হওয়ার কথা। দুঃখিত আবারও।

অন্তরা রহমান

Post new comment

The content of this field is kept private and will not be shown publicly.
Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.